এইচাআইভি/এইডস প্রতিরোধে গত দেড় দশকে শ'শ কোটি টাকা লোপাট হয়েও চিকিৎসার অভাবে এইডস আক্রান্তদের মধ্যে মৃতু্যর হার বেড়ে যাচ্ছে। গত এক বছরে এইডস আক্রান্ত ৩৫ জন মারা গেছেন। এছাড়া একই বছর এইচআইভ ভাইরাসে সংক্রমিত নতুন ২১৬ জনের মধ্যে ১০৬ জনই এইডস-এ আক্রান্ত হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একদা যে মানুষটি মাখার ঘাম পায়ে ফেলে পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছান্দ্যের রসদ জোগাড় করেছে মহার্ঘ রেমিটেন্স দিয়ে দেশকে করেছে সমৃদ্ধ। সে এখন সমাজের চোখে দাগী আসামীর চেয়েও কলংকিত। দায়িদ্র্য এবয় চিকিৎসার অভাবে এইচআইভ ভাইরাসের সঙ্গে বসবাস করা মানুষগুলো মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছে। অপরদিকে এইডস মোকাবিলার নামে কোটি কোটি টাকা লুটেপুটে নিচ্ছে শ'শ এনজিও। কিন্তু চিকিৎসার জন্য বরাদ্ধ মেলেনি একটি টাকাও। মাসধিককাল ধরে দেশের এইডস কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্য-তালাশ করতে গিয়ে এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া যায়। এদের একজন প্রবাসী সাবেক শ্রমিক শামসূ মিয়ার (ছদ্মনাম) শরীরে এইডম ডেভেলপ করেছে। একদা যে করুনটি বিদেশের মাটিতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিবার পরিজনের সুখ শান্তি নিশ্চিত করেছিলেন আজ সে ই পয়সার।
এইডস মোকাবেলা
সুচিকিৎসাও পাচ্ছেন না। এইডস এর ওষুধ এন্টিভাইরাল ড্রাগ পাচ্ছেন আশার আলো সংস্থা নামক একটি সংগঠনের বদান্যতায়। কিন্ত এআরভি (ARV) ড্রাগ নিলে তার দেহে রক্তেশূন্যতা দেখা যায়। এখন তার দরকার ২য় প্রজন্মের এন্টি-রেক্টিাভাইরাল ড্রাগ (ARV) ভারতে উৎপাদিত এই ওষুদঠির আকাশচুম্বী দাম মেটানো আশার আলোর সাধ্যের বাইরে। পাগুর ফ্যাকাশে শীর্ণগেঞী শামসু মিয়া তারপরেও কৃতজ্ঞচিত্র বললেন, আমার আলো আমার পাশে না দাঁড়ালে আমি বাঁচতাম না। এখনে আসার আগে আমি হাঁটতে পারতামস না। আশার আলো সংস্থার পরিচালক হাবিবা বেগমের সঙ্গে এ নিয়ে কথা হল। তিনি জানান এই সংস্থার এখন ৩৪৫ জন এইচআইভি পজিটিভ রয়েছে। এদের মধ্যে ২২৯ জন পুরুষ, ৯৪ জন নারী, ১৯ শিশু এবং ১ জন হিজড়া। ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামে তাদরে সদস্যদের জীবন ব্যবস্থাপনা পরামর্শ, বৃত্তিমূলক শিক্ষা কাজরে জন্য অনুদান ছাড়ও সবাইকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়ে থাকে। যাদের এইডস হয়েছে তাদরে জন্য এআরভি (ARV) ড্রা জোগাড় করে দেয়া হয়। তবে এইডস রোগীদের জন্য সরকারি হাসপাতালগুলোতে সেবা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা খুবই অকিঞ্চৎ বলে তিনি মন্তব্য করেন। হাবিবা বলেন, এইডস রোগীর চিকিৎসার জন্য অপরিহাযঅ CD4 Cell পরিক্ষাটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। সরকারি কোনো হাসপাতালেই সিডি ফোর সেল কাউন্টের মেশিন। নেই। প্রাইভেট খাতে এই পরীক্ষা করার জন্য কমপক্ষে আড়াই হাজার টাকা লাগে। সিএমএইচ-এ লাগে ১ হাজার টাকা। কিন্তু সেখানে অনেক সময় রি-এজেন্ট থাকে না। এই টেস্ট রোগীকে ৬ মাস অন্তর করতেই হয়। নইলে তার রোগ প্রতিরোধ মতা বোঝা যায় না। প্রসঙ্গত ১৯৯৮ সাল থেকে আশার আলো এইচআইভিদের নিয়ে কাজ করছে। এছাড়া কেয়ার বাংলাদেশের সহায়তায় মুক্ত আকাশ, কনফেনডিশিয়াল এ্যাপ্রোচ টু এইডস প্রিভেনশন (CAPA) আইসিডিডিআরবি-এর জাগরীসহ মোট ৪টি প্রতিষ্ঠান সীমিতসংখ্যক এইচআইভি পজিটিভদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় এইডস/এইটিডি প্রোগ্রাম নামক জীবনচক্র তিনি সতর্ক করে বলেন, ধমীর্য় মূল্যবোধ ও কঠোর নৈতিকতার ধুয়া তুলে এখন আর চোখ বুঝে থাকার আবকাশ নেই। ভৌগালিক বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেয়ার সময় এসেছে এখন। এইচআইভ মোকাবিলায় ১ হাজার ৬০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশে গত বছর ২১৬ জন এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তি এইডস রোগে একু্যইট ইমু্যইন ডেফিসিয়েন্সী (Acute Immune Deficiency) আক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত একজনের কাছেও সরকারি চিকিৎসা সেবা পৌছেনি। অথচ এই মরণব্যধি প্রতিরোধ স্বপ্ল সুদের ঋণসহ মোট ১ হাজার ৬০ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দ পেয়েছে। দেশের ৮৭৪ জন এইচআইভ/এইডস সংক্রমিতদের মধ্যে শতকরা ৯৯ জনই দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ। বিত্ত ও সাধ্য না থাকার-নিরূপায় মানুষগুলো সমাজের প্রাস্তিক গোষ্ঠীতে পরিণত হয়ে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে দিনযাপন করছে। ২৪০ জন এইডস রোগীর মধ্যে মাত্র ১১০ জন এআরভি ড্রাগ পাচ্ছে। জানা যায়, ডাচ-বাংলা দিচ্ছে ৫০ জনকে, সুইস রেডক্রিসেন্ট দিচ্ছে ৫০ জনকে এবং ত্র্যাকশন এইড দিচ্ছে ১০ জনকে। বাংলাদেশের অপ্রতুল সরকারি চিকিৎসা এবং ব্যয়বহুল বেসরকারি কিনিকের চিকিৎসা সেবা দুটোই এখন পর্যন্ত। জানা যায়, বিশ্বব্যাংক ও ডিএফআইডি-এর কাছ থেকে ঋণ করা অর্থ দিয়ে এ পর্যন্ত ২০ জেলার ২০ জন চিকিৎসককে ট্রেনিং ফর দ্য ট্রেনার প্রশিণ দেয়া হয়েছে। কিছু সেবিকাও প্রশিণ নিয়েছেন। এতে এইডস রোগীদের প্রতি ভয় ভীতি আতংকের মাত্র াকিছুটা প্রশমিত হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এইডস রোগীদের অবস্থান জানার পর প্রাস্তিক এই মানুষগুলোর অবমাননাকর পরিস্থিতির শিকার হওয়ার বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একজন এইচআইভি পজিটিভের অভিযোগ মহাখালী সংক্রাপমক ব্যধি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সেবিকাদের উদাসিনতা খুবই কষ্টদায়ক। একবার এক চিকিৎসক বলেই ফেলেন, রোগী তো মরইরা যাবে, তাহলে আর ইনজেকশন দেয়ার দরকারটা কি? প্রকল্পের তথ্যানুসারে বাংলাদেশের প্রথম এইডস রোগী একজন স্পোনিশ স্বর্ণ চোরাচালানী। ১৯৮৯ সাথে তাকে শনাক্ত করা হয়। সে থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৮৭৪ জন এইচআইভি/এইডস রোগী শনাক্ত করা গেছে। এদের মধ্যে এ পর্যন্ত মারা গেছে মোট ১০৯ জন। বর্তমানে ২৪০ জন এইডস রোগে আক্রান্ত। ২০০৬ সালে নতুন ২১৬ জন এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০৬ জন। এইডস আক্রান্ত এবং মারা গেছেন ৩৫ জন। প্রসঙ্গত বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এইচআইভি/এইডস সয়ক্রমিত ৮৭৪ জনকে শানাক্ত হলেও সরকারি এএসপি হিসাবে। দেশে কমপ েসাড়ে ৭ হাজার এইচআইভি পজিটিভ রয়েছে। তবে ২০০১ সালে ইউএনএইডস এর বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে কমপক্ষে ১৬ হাজার এইচআইভি/এইডস সংক্রমিত মানুষ রয়েছে। তবে ৭ম সরকারি বার্ষিক সার্ভিলেন্স রিপোর্ট অনুসারে (২০০৬) বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার মাত্র ১ শতাংশ । কিন্তু শিয়ায় মাদক গ্রহণকারীদের মধ্যে এই হার ২০০৪ সালেই ৪ দশমিক ৯ শতাংশে পৌছে যায়, যা মহামারীর আসন্ন সংকেত হিসাবে হিহ্নিত করেছিলেন বিশেষজ্ঞারা। পরবতর্ীতে এই গোষ্ঠীর মধ্যে সংক্রমণের হার বেড়ে ২০০৫ সালে ৭ শতাংশ এবং ২০০৬ সালে মধ্য ঢাকার একটি পকেটে ১০ দশমিক ১ শতাংশ পৌছে গেছে বলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। দেশের বিশিষ্ট ভাইরোলিজিস্ট এবং এইডস রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ নজরুল ইসলাম এই তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বলেন এ জানাই এখন আর শুধু প্রতিরোধ নয়, সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও সেবা নিশেষ করে আইডিইউদের জন্য নাইলে যে কোন মুহূর্তে ঘনবসতি এই দেশটি মহামারীতে ভেসে যাবে। তিনি ভারত, মিয়ানমার, চীন, ইন্দোনেশিয়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেন, এইডস মহামারী হিসাবে এইশয়ার সে সব দেশে ব্যাপকতা পেয়েছে- সবগুলোতেই বাহক ছিল শিরায় মাদক গ্রহণকারীরা। তাদের কাছ থেকে যৌনকর্মীরা এবং যৌনকর্মীর কাছ থেকে সাধারণ মানুষ এই ঘাতক ভাইরাসে সংক্রমিত হয়। তার মতো এটাই হচ্ছে এইডস রোগ সংক্রমণের এশিয়ান আশার আলো সংস্থার এক সদস্য জানান, ২০০৪ সালে গ্রীন রোডের এক প্যাথলজি ল্যাবে তার রক্ত পরীা কার হয়। রিপোর্টে এইচআইভি ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর ল্যাবের প্যাথলজিস্ট্ রেগে গিয়ে তার কর্মচারীকে বলেন, লোকটাকে রিপোর্ট দিয়ে বলে দে যেন আর না আসে। আর যে সব ইন্সট্রমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো জলদি পুড়িয়ে ফেল। সদস্য বললেন, কথা শুনে এক কষ্ট পেয়েছিলাম যে তা বলার নয়। তার মতে, এইডস সংক্রমণ ও বিস্তার সম্পর্কিত সতর্কতামূলক প্রচারণা আরো ব্যাপক ও সুনির্দিষ্ট হওয়া উচিত। এইডস রোগীদের জন্য ৮ বেডের মিনি ওয়ার্ডে রোগী থাকে না। এইডস মোকাবিলার ১৭শ কোটি টাকার বেশি অর্থ এলেও এইডস রোগীদের জন্য মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের বরাদ্দকৃত ৮ শয্যার ওয়ার্ডটি দিনের পর দিন শূন্যই পড়ে থাকে। নাচার হয়ে রোগী ভর্তি হলেও এক-দু দিন থেকে চলে যায়। অর্থাভার অব্যবস।থাপনা, অদতা ও অসহাযোগিতার কারণে এইডস আক্রান্ত রোগীরা সহজে এই হাসপাতালে পথ মাড়ায় না। মৃতু্য এড়ানোর জন্য ভর্তি হলে-চিকিৎসক ও সেবিকাদের অসহযোগিতা, দুবর্্যবহারে অবশেষে পালিয়ে বাঁচে। বহুতলা ভবনের ৮ তলায় নির্ধারিত ওয়ার্ডে যাওয়ার জন্য মরণাপন্ন রোগীদের দুর্বল-অম শরীর নিয়ে তলার পর তলা সিড়ি ভাঙ্গতে হয়। একমাত্র লিফটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে ৭ বছর ধরে। স্বাস্থ্য অধিদফতরকে চিঠি লিখে লিখে হয়রান কতর্ৃপ। ৩৩ একর জায়গার মধ্যে তৈরি দেশের এমাত্র সংয়ক্রামত ব্যাধি হাসপাতালটিতে এখন সংস্তার কাজ চলছে। এইডস ওয়ার্ডেও বসান হচ্ছে টাইলস। তবে মরচে ধরা লোহার বেড ও নোংরা জীর্ণ ফোমের গদিগুলো এখনো অপরিচ্ছন্নতার নমুনা ঘোষনা করে। এই বিভাগের প্রধান ডাঃ আজিজ আহমেদ খান সমপ্রতি থাইল্যান্ড থেকে এইডস রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ওপর দীর্ঘ প্রশিণ নিয়ে দেশে ফিরেছেন। তিনি জানান, ১৯৯৬ সালের ১১ নবেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন বিদেশী বন্দীকে মুমূর্ষু অবস্থায় এখানে চিকিৎসার জন্য প্রথম পাঠানো হয়। এর পর ২০০৬ সাল পর্যন্ত মোট ৬৬ জন এইডস রোগী এ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদের মধ্যে ৩৩ জনই মারা গেছে। এই হাসপাতালে এখন এনজিওরা এইডস রোগীদের চিকিৎসার জন্য পাঠাচ্ছে বলে ডাঃ আজিজ জানান। তিনি বলেন, সাধারণ ওষুধপত্র হাসপাতাল থেকে দেয়া হলেও এন্টি-রেষ্টোভাইরাল ড্রাগ এনজিওরাই জোগাড় করে আনে। এইডস রোগীদের প্রতি দুবর্্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এটা আগেহ হত। এখন হয় না। তার এখন একটাই স্বপ্ন, জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের অর্থ দিয়ে এই হাসপাতালের বিশাল অঙ্গনে এইডস রোগীদের জন্য আলাদা পূর্ণাঙ্গএকটা হাসপাতাল গড়ে তোলা। এনএএসপি কতর্ৃপরে ভাষ্য জানা যায়, ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক ও ডিএফআইড থেকে প্রাপ্ত ২৬০ কোটি ডলার চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই শেষ হয়ে যাব।ে এরপর ২০০৩ সালের মার্চ থেকে ৫ বছরের জন্য গ্লোবাল ফান্ড ফর ফাইট এগেইনস্ট এইডস, টিবি এন্ড ম্যালেরিয়া (GFATM) তহবিল থেকে মিলেছে ১৯ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার এরংয় ২০০৬ সালের নবেম্বরে এই ফান্ড থেকে আরো ৪শ' মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশ এইডস মোকাবিলায় বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রকল্প ম্যানেজার ডাঃ আবদুস সেলিম বলেন, ৮৭৪ জনের মধ্যে সবার চিকিৎসা দরকার নেই। যাদের এইডস ডেভেলপ করেছে শুধু তাদের দরকার। এদের সংখ্যা এখন ২৪০ জন। সাপোর্ট এবং ট্রিটমেন্টের জন্য টাকার কোন অভাব নেই বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এইচএনপিএসপি (HNPSP) প্রকল।প বিশ্বব্যাংকের ফান্ড থেকে ১ হাজার লোককে ৫ বছরের জন্য চিকিৎসা দেয়ার জন্য বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেই অর্থ এখনো পাওয়া যায়নি বিধায় এই অর্থ দিয়ে তারা কবে নাগাদ ওষুধ কেনা যাবে নেটা বলা তার প েসম্ভব নয় বলে তিনি জানাব। এদিকে কোন সরকারি হাসপাতালে সিডি ফোর সেল পরীার মেশিন নেই। একটি মেশিনের দাম মাত্র ২৫ লাখ টাকা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশানুসারে এনি্ড-রেষ্টিাভাইরাল ড্রাগ শুরু করার আগেই ল্যাবরেটরিতে সিড ফোর সেল পরীা করতে হবে। নারী, পুরুষ, কিশোর , গর্ভবতী মা, শিশু এইচআভি- টিব রোগী কিংবা আইইউডি (IUD) প্রত্যেক ক্যাটাগরি বোগীর জন্য আলাদা আলাদা মান নির্ধারিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এইডস রোগীদের রোগ প্ররোধ মতা থাকে না। ফলে এআরভি-ড্রাগের বিরুদ্ধে রেডিস্টেন্স তৈরি হয়ে যায়। সরকারি হাসপাতলে সিডি ফোর সেল মেশিন থাকলে প্রান্তিক শ্রেণীর জনগোষ্ঠীর বেঁচে থাকাটা অনেক স্বাস্থিকর হতে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করনে।
|